মোঃ ফেরদৌসকিবরিয়া (নয়ন) সম্পাদক ও প্রকাশক :-
অভিযোগ: চাঁদা না দিলে ৫০–৬০ জন দুর্বৃত্ত এসে ফাঁকা গুলি, লুটপাট ও আগুন দেন—বস্তিবাসী আক্ষেপ, পুলিশ-প্রতিক্রিয়া অনিশ্চিত
বগুড়ার চেলোপাড়ার সান্ডারপট্টিতে মঙ্গলবার (অভিযোগ অনুযায়ী) চাঁদাবাজি করে বলে অভিযুক্ত একদল (বর্ণনা অনুযায়ী ৫০–৬০ জন) দুর্বৃত্ত রাতের অন্ধকারে কয়েকটি হোন্ডা ভ্যানযোগে এসে ফাঁকা গুলি চালিয়ে এলাকাবাসীকে আতংকিত করে। স্থানীয়রা জানান, চাঁদা দাবি প্রতিপালন করতে না পারায় দুর্বৃত্তরা বাড়িঘরে ঢুকে গরু-ছাগল, অটোরিক্সা, মোবাইল, টাকা-পয়সা, ঘড়ি ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে। পরে তারা কয়েকটি স্থানে আগুন লাগিয়ে পুরো সান্ডারপট্টি পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে বস্তিবাসীরা দাবি করছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, “(বুক ফেটে কাঁদার সুর) তারা এসে ফাঁকা গুলি চালালো, সব লুট করে নিয়ে গেল—বাচ্চা-বয়োজ্যেষ্ঠ সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েছি।” (উক্তি: স্থানীয় এক বাসিন্দা; নাম ও যোগাযোগের জন্য গ্রহীত অনুমতি প্রয়োজন)। সংবাদ প্রস্তুতকালে প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজেও আতঙ্কিত বস্তিবাসীর আর্তচিৎকার ও আগুনের ধোঁয়া দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, দুর্বৃত্তদলটি রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত—স্থানীয়ভাবে “বিএনপি’র গুন্ডা” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এই রাজনৈতিক পরিচয় সরকারিভাবে যাচাইযোগ্য কাগজে দেখা যায়নি; এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা পুলিশকে বারবার খবর দিলেও ঘটনার সময় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলো না—এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে। পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা চেয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা আঞ্চলিক প্রশাসন ও মানবাধিকার সংগঠনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
খচরা তালিকা অনুযায়ী লুট হওয়া ও পুড়ে নষ্ট হওয়া আইটেমগুলোর মধ্যে রয়েছে: গরু-ছাগল, অটোরিক্সা, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, ঘড়ি, রান্নার বাসন (হাঁড়ি, পাতিল, লোটা, বাটি, থালা), এবং ব্যক্তিগত স্বর্ণালংকার। স্থানীয়দের বলা হয়েছে অনেকেই এখন রাত্রিযাপন করতে ভয় পাচ্ছে এবং নিরাপত্তা দাবি করছেন,
Post a Comment