Top News

পাক বোলিং নিয়ে ছেলেখেলা অভিষেক-গিলের! ৬ উইকেটে জয় ভারতের, চিন্তা ফিল্ডিং আর মিডল অর্ডার নিয়ে, আবার হার সলমনদের
















মোঃ ফেরদৌসকিবরিয়া (নয়ন) সম্পাদক ও প্রকাশক :-

 পাকিস্তানের ইনিংসে ১০ ওভার সবে শেষ হয়েছে। দুবাইয়ের গ্যালারিতে থমথমে মুখে দেখা গেল কয়েক জন ভারতীয় সমর্থককে। একটু দূরে গান গেয়ে উল্লাস করছেন পাকিস্তানের সমর্থকেরা। স্কোরবোর্ডে দেখাচ্ছে, পাকিস্তান ৯১/১। জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে, সুপার ফোরে শেষমেশ পা হড়কাবেন না তো সূর্যকুমার যাদবেরা?

তা হল না। ভারত জিতল ৬ উইকেটে। তবে এটাও ঠিক, গ্রুপ পর্বে জয় যতটা সহজে এসেছিল, ম্যাচ যতটা একপেশে হয়েছিল, সুপার ফোরে তা দেখা গেল না। পাকিস্তান লড়াই রাখল। বেশ কিছুটা সময় চাপেও রাখল ভারতকে। শেষ পর্যন্ত জয় হল মাঠে থাকা সাহসী দলেরই। অভিষেক শর্মা, শুভমন গিল যে ভিতটা গড়ে দিয়েছিলেন, সেটাকেই কাজে লাগিয়ে দলকে জেতালেন তিলক বর্মা, হার্দিক পাণ্ড্যেরা। 

টসে হেরে আগে ব্যাট করে পাকিস্তান তুলেছিল ১৭১/৫। জবাবে ভারত সেই রান তুলে দিল ৪ উইকেট হারিয়েই। ম্যাচে ভারতের ইতিবাচক দিক যেমন রয়েছে, তেমনই চিন্তারও কারণ রয়েছে।

পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডারে বদল

প্রথম তিনটি ম্যাচে এক রানও করতে পারেননি সাইম আয়ুব। তিনটি ম্যাচেই শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। স্বাভাবিক ভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে এই ওপেনার আর এক বার ব্যর্থ হন তা চায়নি পাকিস্তান। তাই ব্যাটিং অর্ডার বদলে ফেলে তারা। সাহিবজ়াদা ফারহানের সঙ্গে পাঠানো হয় দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটার ফখর জ়মানকে। শুধু ওপেনিংই নয়, বাকি ব্যাটিং অর্ডারেও বদলেছে তারা। তা কাজেও দিয়েছে। ফখর যতই বিতর্কিত ক্যাচে আউট হন, শুরুটা আগ্রাসী করে ভারতের বোলারদের চাপে ফেলে দিয়েছেন। তিনে নামায় সুবিধা হয় আয়ুবেরও। তিনিও এশিয়া কাপে প্রথম বার খাতা খুলতে পেরেছেন। ফারহান অর্ধশতরান করলেও বেশি বল খেলে ফেলায় পরের দিকে বেশ অসুবিধা হয়েছে পাকিস্তান। তবে মহম্মদ হ্যারিসের জায়গায় কেন হুসেন তালাত বা মহম্মদ নওয়া‌জ়কে (দু’জনেরই স্ট্রাইক রেট ১০০-র কম) নামানো হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

 

Post a Comment

Previous Post Next Post